আগামীকাল সোমবার (২০ জুন) থেকে রাত ৮টার পর সারাদেশে দোকান, বিপণি-বিতান, মার্কেট ও মুদি দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার (১৯ জুন) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।
মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাই মূল্যবৃদ্ধিজনিত পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দোকানসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। অর্থাৎ রাত ৮টার পরও খোলা রাখা যাবে বেশ কিছু দোকান ও প্রতিষ্ঠান। যেমন-
* তরকারি, মাছ, মাংস, দুগ্ধজাতীয় সামগ্রী, রুটি, পেস্ট্রি, মিষ্টি এবং ফুল বিক্রির দোকান।
* ওষুধ, অপারেশন সরঞ্জাম, ব্যান্ডেজ অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান।
* ক্লাব, হোটেল, রেস্তোরা, খাবার দোকান, সিনেমা অথবা থিয়েটার।
*দাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান।
* তামাক, সিগারেট, পান-বিড়ি, বরফ, খবরের কাগজ, সাময়িকী বিক্রির দোকান এবং দোকানে বসে খাওয়ার (হালকা) নাশতা বিক্রির খুচরা দোকান।
*খুচরা, পেট্রল বিক্রির জন্য পেট্রলপাম্প এবং মেরামত কারখানা নয় এমন মোটরগাড়ির সার্ভিস স্টেশন।
* ডক, জেটি, স্টেশন, বিমানবন্দর এবং পরিবহন সার্ভিস টার্মিনাল অফিস।
* নরসুন্দর এবং কেশ প্রসাধনীর দোকান।
* যেকোনো শিল্প, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান যা জনগণকে শক্তি আলো অথবা পানি সরবরাহ করে এমন প্রতিষ্ঠান।
* যেকোনো ময়লা নিষ্কাশনকারী প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।
তবে শর্ত থাকে যে, একই দোকানে অথবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যদি একাধিক ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয় এবং অধিকাংশ তাদের প্রকৃতির কারণে এই ধারার অধীন অব্যাহতি পাওয়ার যোগ্য হয়, তাহলে সমগ্র দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে উক্তরূপ অব্যাহতি প্রযোজ্য হবে।
এছাড়াও প্রধান পরিদর্শক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা উপরোক্ত প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠান শ্রেণীর জন্য খোলা ও বন্ধের সময় স্থির করে দিতে পারবেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী জানান, আইনে যেসব প্রতিষ্ঠান নির্দেশনার বাইরে থাকবে বলা হয়েছে, তার বাইরে সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। মুদি দোকান রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে।






মন্তব্য