বাড়ছে সেবার বহর, গ্রাম হবে শহর' জনগনের দৌর গড়ায় সেবার ১০ বছর। এই প্রতিপাদ্যে সামনে রেখে কেরাণীগঞ্জের উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ডিজিটাল সেন্টারের ১০বছরপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে ।
আজ বুধবার (১১ নভেম্বর) ডিজিটাল সেন্টারে ১০ বছর পূর্তি উৎযাপন উপলক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ।
এছাড়াও আলোচনা সভা ও রাতে স্থানীয় আহম্মেদ সাগর ক্যাফেতে এক বারবিকিউ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ডিজিটাল বাংলাদেশ; স্বপ্ন পূরণের এক দূর্বার অভিযাত্রার নাম। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে জ্ঞানভিত্তিক দক্ষ জনসম্পদ গড়ে তোলা ও ক্ষুধামুক্ত উন্নত দেশ গঠনে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর দিন বদলের সনদ ঘোষণা করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিষ্ঠা করে ডিজিটাল সেন্টার।
২০১০ সালের ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে একযোগে দেশের চারহাজার পাঁচশ’ একটি ইউনিয়নে চালু করেন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কম খরচে, কম সময়ে, হয়রানিমুক্ত সেবা পেয়ে মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয় ডিজিটাল সেন্টারগুলো। আইসিটি ডিভিশন ও একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নিবিড় তদারকির কারণে তৃণমূলে সেবার বাতিঘরে পরিণত হয় ডিজিটাল সেন্টার। প্রতিনিয়ত ডিজিটাল সেন্টারে বাড়ছে সেবার বহর। সেবার সাথে বাড়ছে উদ্যোক্তাদের আয়ও।
এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন কেরাণীগঞ্জ সার্কেল রাজস্ব ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান সোহেল, কেরাণীগঞ্জ দক্ষিণ রাজস্ব সার্কেল ও সহকারী কমিশনার ভূমি সানজিদা পারভীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা ও কেরাণীগঞ্জের ১২টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের সকল উদ্যোক্তাগন।






মন্তব্য