ফরিদপুরের সদরপুর উপজেয়ায় রমজান মৌসুমে প্রচুর পরিমানে লালমি ও বাঙ্গি চাষ করে থাকে। এবছর করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লক-ডাউনের কারণে যানবাহন ও হাঁট বাজার বন্ধ থাকায় এমনিতেই কোথাও ক্ষেতের এসব বাঙ্গি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছিল না। এরপর বিরূপ আবহাওয়ায় কয়েক দিন আগের শিলাবৃষ্টিতে বাড়তি বেদনা যোগ হয়েছে চাষিদের।
অনেক চাষিই বেসরকারি ঋণদান প্রতিষ্ঠান থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এখন আসল টাকা পরিশোধ করতেই হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে বাজারজাতের সুযোগ না থাকায় পাইকাররাও ক্ষেতে আসছেন না। তাই ক্ষেতে থেকেই নস্ট হয়ে যাচ্ছে বাঙ্গি। নিজেরাও বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে না পারায় চাষিরা এখন চরম হতাশ। ধারদেনা করে পুঁজি খাটিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের।
এ বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে সরকারি সহায়তা চেয়েছেন এসব বাঙ্গি চাষরিা।
কোনো কোনো বছর ঝড় বৃষ্টিতে ফসল কিছুটা নষ্ট হলেও এবারের মতো এমন বিপর্যয় কখনো হয়নি।
বাঙ্গি চাষি সাদ্দাম হোসেন জানান, তার ক্ষেতে যে বাঙ্গি হয়েছে, সেগুলো বিক্রির উপযোগী হতেই করোনা ভাইরাসের কারণে সারা দেশ অচল হয়ে পড়েছে। বিক্রির সুযোগ নেই। খেতের বাঙ্গি খেতেই নষ্ট হচ্ছে।
আরেক চাষি লাল মিয়া জানান, তিনি ১ টাকার বাঙ্গি বিক্রি করতে পারেননি। একই অবস্থা অন্য চাষিদেরও।
চাষিদের দাবি, সদরপুর উপজেলার কাটাখালী, আবুলের মোড়, কারীরহাট হাট, ঘেনার বাজার, ভাষাণচর নতুন বাজর বাঙ্গির হাঁট বসতে দিতে হবে। বাঙ্গির হাঁট থেকে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে ট্রাকভর্তি করে সারা দেশে সরবরাহ করতে দিতে।
চাষিরা আরও জানায়, বাঙ্গি বিক্রয় করতে না পারলে চাষিরা না খেয়ে মারা যাবে। কাঁটাখালী বাঙ্গির হাঁট মিলতে দিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন চাষিরা।




.jpg)

মন্তব্য