নওয়াবেঁকী গনমূখী ফাউন্ডেশন (এন জি এফ) দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন থেকে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন দুর্যোগে অসহায় মানুষদের সহায়তা প্রদানে এন জি এফ সবার আগে মানুষের দোরগোঁড়ায় পৌছে যায়। কোভিড-১৯ বা নোভেল করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায়ও ব্যতিক্রম হয়নি এন জি এফ এর, সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মানবিক সহায়তা প্রদানে। ইতোমধ্যে এনজিএফ উপজেলা ত্রান তহবিলে ২ লক্ষ টাকা প্রদানের মাধ্যমে অংশগ্রহনের পাশাপাশি; কয়েকটি ইউনিয়নে নিজস্ব উদ্যোগে সহায়তা প্রদান করেছে। এবং আরও বেশী সহায়তা প্রদানের জন্য অনবরত চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ এপ্রিল,শনিবার শ্যামনগর উপজেলার, গাবুরা ইউনিয়নে এনজিএফ, মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে ৫০০ টি হতদারিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী (২.৫ মেট্রিকটন চাল, ১ মেট্রিকটন আলু ও ১ মেট্রিকটন মিষ্টি কুমড়া) বিতরণ করা হয়।উল্লেখ্য যে,উক্ত সহায়তা এনজিএফ এর তত্বাবধানে গাবুরার প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ট্রলার যোগে মানুষের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জি. এম মাছুদুল আলমের হাত দিয়ে উক্ত ত্রান বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। উক্ত ত্রান কার্যক্রমটি এনজিএফ এর নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ লুৎফর রহমানের তত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং গাবুরার বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত ছিলেন এনজিএফ এর - নির্বাহী পরিচালকের পক্ষে পরিচালক -জনাব মোঃ আলমগীর কবির, প্রসপারিটি প্রকল্পের সমন্বয়কারী- জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ, প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা জনাব - ডাঃ মোঃ আবু আজাদ সিদ্দিকী, প্রসপারিটি প্রকল্পের কর্মকর্তা -জনাব অভিজিৎ কুমার নন্দী, গাবুরা শাখা ব্যাবস্থাপক জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান, প্রসপারিটি প্রকল্পের এম আই এস অফিসার জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান সহ প্রতিষ্ঠানের অন্যন্য কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ।
সাধারণ মানুষের পক্ষে সার্বিকভাবে সহযোগীতা ও সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন স্থপতি ফাতিহা পলিন ও তাঁর বন্ধুরা।






মন্তব্য