নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব মোকাবেলায় গত ২৬ মার্চ থেকে ফরিদপুরের ঔষধ ও খাবারের দোকান ব্যতিত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন।তারপর থেকে বন্ধ হয় যায় সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ জেলার যানবাহনগুলো।
সবকিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসহায় হয়ে পরেছে সমাজের নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা। আর কর্মহীন এই অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছে ফরিদপুর জিলা স্কুলের ২০০২তম এস এস সি ব্যাচের প্রাক্তন সকল শিক্ষার্থীরা।
অসহায় মানুষদের জন্য ফরিদপুর জিলা স্কুলের২০০২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় একটি ত্রান তহবিল গঠন করা হয় এবং এমিল খান, ডলার, রনি, বনি, সোহেল, ছাদির তত্বাবধানে শহরের বিভিন্ন এলাকায় গৃহবন্দি হয়ে থাকা সমাজের নিম্নআয়ের রিক্সা চালক, মুচি, ফল বিক্রেতা, ভিক্ষুক, কাজের বুয়াসহ দুইশতাধিক পরিবারের মাঝে গোপনীয়তা রক্ষা করে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন ফরিদপুর জিলা স্কুলের২০০২তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
৪ এপ্রিল সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় গৃহবন্দি হয়ে থাকা সমাজের নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবন,আলু, আটা,সাবান বিতরন করা হয়।
পরে মধ্যবিত্ত পরিবারের কথা চিন্তা করে গোপনীয়তা রক্ষা করে ৬ এপ্রিল রাত হতে ফরিদপুর জিলা স্কুলের ২০০০তম ব্যাচের প্রক্তন শিক্ষার্থীরা সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।
এ সময় ২০০২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এমিল খান বলেন, দেশ এখন এক দুর্যোগপূর্ণ সময়ের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে। আর এই দূর্যোগে মানুষ হয়ে মানুষের পাশে থাকার জন্য আমরা ফরিদপুর জিলা স্কুলের ২০০২তম এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এ কার্যক্রম শুরু করেছি। আমারা সমাজের নিন্ম আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে গোপনীয়তা রক্ষা করে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে আসছি। কেননা বর্তমানে নিন্মবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো পরিস্থিতির শিকার। যার ফলে আমরা প্রাক্তান শিক্ষার্থীরা খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় কোন ফটোসেশন করছি না।
এ সময় এমিল আরও বলেন আল্লাহ্ চাইলে এই দুর্যোগ আমরা ইনশাআল্লাহ্ কাটিয়ে উঠতে পারব। আর দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এই অসহায় মানুষগুলোকে যেন কেউ ভিক্ষারি না ভাবে সে জন্য আমরা খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় গোপনীয়তা রক্ষা করে চলেছি। তাছাড়া এ কার্যক্রম দুর্যোগ চলাকালীন সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।




.jpg)

মন্তব্য