এক শিশুসহ ঠাকুরগাঁওয়ে একই পরিবারের ৫জন ‘জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায়’ আক্রান্ত হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে তাদেরকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।
শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, আড়াই বছরের শিশুসহ রুহুল আমীন (৩০) তাঁর স্ত্রী সন্তানসহ একই পরিবারের ৫ জন ‘জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের কে স্বাস্থ্য বিভাগ আজ বিকালে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. নাদিরুল আজিজ বলেন তাদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে অসুস্থ্দের মধ্যে একজন গুরুতর। বাকিরা তেমন অসুস্থ নয়। তিনি বলেন এ হাসপাতালে আইসিও’র ব্যবস্থা না থাকায় রোগ তত্ব ,রোগ নির্ণয় ও গবেষনা ইউনিস্টিউট এর পরামর্শে ওই ৫জনকেই রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে । আক্রান্তদের বাড়ি সদর উপজেলার চিলারং ইউপির আলাদি নদীর পাড় গ্রামে।
ওই ইউপি চেয়ারম্যান জানান, দুপুর আড়াইটায় ওই অসুস্থ্ ব্যক্তি মোবাইল ফোনে বলেন, শরীরে জ্বর নিয়ে গত শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে ট্রেনে উঠি। শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নেমে বাড়িতে আসি। বাসায় আসার পর শরীরে জ্বরের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। এর সঙ্গে আক্রান্তদের শ্বাসকষ্ট ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়।
কীভাবে আক্রান্ত হলেন, এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন রুহুল আমিন ঢাকায় একটি ক্লাবে চাকরি করে। গত ১৩ মার্চ পরিবারসহ মাদারীপুরে পিকনিকে গিয়েছিলে সে। সেখানে অনেক মানুষজন উপস্থিত ছিল। এরপর থেকে পরিবারটি জ্বরে আক্রান্ত হয় । তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছিল । কিন্তু এরপরও তারা বাড়িতে চলে এসে এলাকায় চলাফেরা করে। শুক্রবার জুম্মার নামাজও পড়ে রুহুল । স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন সতর্কতার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছি এলাকায়।
সদরের ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন রুহুল আমিন ইতালি প্রবাসি। সে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার ছাড়পত্র পেয়ে বাড়িতে আসে। তাদের শরীরের নমুনা পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে কি রোগে তারা আক্রান্ত হয়েছেন। তবে সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য বিভাগ এক জরুরি সভায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মনে করেন স্বাস্থ্য ওই গ্রামটিকে লকডাউন করা উচিৎ সর্তকতার্র জন্য। এ বিষয়টি সিভিল সাজর্ন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার নিশ্চিত করেছেন।




.jpg)

মন্তব্য