ফরিদপুরের সালথায় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় সোহাগ খলিফা (১৮) ও সুজন শেখ (২৪) কে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। সোহাগ উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের তেগাতিয়া গ্রামের মতিন খলিফার ছেলে ও সুজন কানাইড় গ্রামের আঃ কুদ্দছ মোল্যার ছেলে।
মামলা সুত্রে জানা যায়, রোববার স্কুল চলাকালীন সময়ে দুপুরে স্কুল দপ্তরী সুজন শেখ তৃতীয় শ্রেনীর ঐ স্কুল শিক্ষার্থীকে ঝুলু খেলার কথা বলে স্কুলের পুরাতন ভবনের একটি রুমে নিয়ে যায়। তখন সোহাগ খলিফা ঐ শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। শিক্ষার্থী চিৎকার করলে সোহাগ চলে যায়।
এ সময় সুজন শেখ রুমের বাহিরে দাড়িয়ে ছিল। স্কুল ছুটির পরে ঐ শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। পরিবারের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ রাতেই সোহাগ খলিফা ও সুজন শেখকে আটক করেন।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর চাচা বাদী হয়ে সোহাগ ও সুজনকে আসামি করে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা বাদী জানান, শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় স্কুল প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, রোববার আমি ছুটিতে ছিলাম। খবর পেয়ে স্কুলে এসে অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করেছি, তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না।
বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে এমন ঘটনা কি করে ঘটতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী স্কুল চলাকালীন সময়ে এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে এধরনের ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনার মামলায় দুই আসামীকে আটক করে সোমবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।






মন্তব্য