উপমহাদেশের বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ আ'লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক সংসদ উপনেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরের সালথায় মিলাদ-মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বাদ আছর সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নিজ বাসভবন সালথা উপজেলার রসুলপুর "হামিদ মঞ্জিলে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে, ফরিদপুর-২, আসনের সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী।
মিলাদ মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন বাহিরদিয়া মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা মোঃ আকরাম আলী (ধলা হুজুর)।
এসময় সাজেদা চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন, ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ শামিম হক, সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ঝর্ণা হাসান, নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সর্দার, সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বর, সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিয়া প্রমূখ।
এছাড়াও এসময় জেলা আওয়ামী লীগ, সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৮৭ বছর বয়সে মারা যান এ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের উপনেতা।
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। তাঁর স্বামী ছিলেন ভাষা সৈনিক ও বীমা ব্যক্তিত্ব প্রয়াত গোলাম আকবর চৌধুরী।
অপরদিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে উম্মে হালিমা পানসি (২৭) নামের এক কণ্ঠশিল্পী গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। সে উপজেলার চরবন্দরখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা ও সদরপুর শিল্পকলা একাডেমির নিয়মিত গায়িকা। তিনি সদরপুর উপজেলার সতেররশি গ্রামের আঃ সামাদ ফকিরের কন্যা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ডেঙ্গুরোগে আক্রান্ত হলে পানসিকে গত সপ্তাহে প্রথমে সদরপুর থেকে ফরিদপুর মেডিক্যালে নেয়া হয়। এরপর রোগীর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। উম্মে হালিমা পানসি বিবাহিত ছিলেন। এ ঘটনায় দুই পরিবারের স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে পড়ার পাশাপাশি এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে পড়েছে।




.jpg)

মন্তব্য