ঈদ সামনে রেখে গাইবান্ধায় বিপনী ক্রেতাদের ভিড় 

  • আতিকুর রহমান আতিক, গাইবান্ধা:
  • শনিবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৩ ১২:০৪:০০
  • কপি লিঙ্ক

ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠছে গাইবান্ধার বিপনী বিতানগুলো। প্রতিদিন সকাল থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন বিপণি-বিতানে চলছে কেনাবেচা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, আগের চেয়ে বেড়েছে সব কাপড়ের দাম। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারি বাজারে বেশি দামে ক্রয় করায় এবার একটু দাম বেশি। 

ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে সব ধরনের পোশাক দোকানে দোকানে ঝুলছে। শহরের অভিজাত  বিপণিকেন্দ্রগুলোতে এখন ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। দাম একটু বেশি হলেও অনেক রাত পর্যন্ত পছন্দমতো কাপড় কিনছেন নারী পুরুষ। বিক্রি করতে পেরে বিক্রেতারাও অনেক খুশি। 

গাইবান্ধা জেলা শহরের ইসলাম প্লাজা, সালিমার সুপার মার্কেট, চৌধুরী মার্কেট, পৌর মার্কেট, তরফদার ম্যানশনসহ বিপনী বিতানগুলোতে সকাল থেকেই ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ক্রেতারা। ক্রেতারা পছন্দ মতো পোশাক কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন। এই ঈদে দোকানিরা ইন্ডিয়ান জর্জেট শাড়ি, ইন্ডিয়ান গঙ্গারাম, বার্মা জামা, কৃষান ব্যান্ডের জামা, বুটিকের কিছু জামা, ঝিলিক থ্রিপিচ, বিনয়ের থ্রিপিচ, কাঁচা-বাদাম, বিবেগ, লংস্কার্ট, পাখি-লেহেঙ্গা, ঐশ্বরিয়ার ময়‚রী-ড্রেস, পরি ড্রেস আর পাকিস্তানি বাড়িস, খুবসুরত, পাকিস্তানি-কটি, শাহজাদিসহ বাংলাদেশী ব্যান্ডের বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক রয়েছে। 

তবে ব্যবসায়িরা বলছেন, এখনো সে রকম কেনাকাটা শুরু হয়নি, তবে কয়েকদিন পরেই পুরোদমে শুরু হবে কেনাকাটা।শিশুদের হরেক রকম পোশাকের চাহিদা বেশি হলেও ক্রেতাদের দাবি শিশুদের পোশাকসহ সব ধরণের পোশাকের দাম অনেক বেশি।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানির বাসীন্দা জামাল বলেন, ঈদ আসতে আরও অনেক দেরি আছে। আগে ভাগেই বাজারে পোশাকে দাম বেশি। তবে তরুণী ও কিশোরীদের নজর কিরণমালা, মাহিয়া, আগুন পাখি নামের পোশাকের দিকে। এছাড়াও রয়েছে কুর্তি, লেহেঙ্গা, লেহেঙ্গা, দোপাট্টার দিকে। বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের লেহেঙ্গা। সেগুলো ২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। অন্য পোশাকগুলোর দাম ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার ভেতরে। এছাড়া বিবাহিত ও অবিবাহিতা নারীরা কিনছেন বালুচরি, মনিপুরি, জামদানি শাড়ি। সেগুলো ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

দারিয়াপুর বাসীন্দা রশিদ মিয়া বলেন, এবারের ঈদে বাজারে আরও আছে চীনা, পাকিস্তানি শাড়ি, কাপড় ও থ্রিপিস। তবে এই সব শাড়ি কাপড়ের দাম নিম্ন আয়ের লোকদের নাগালের বাইরে থাকায় তাদের একমাত্র ভরসা দেশি ও গাউন মার্কেটের কাপড়।

বিক্রেতা সোহাগ  মিয়া বলেন,বেচাকেনা রমজানের শুরু থেকেই একটু হালকা ছিলো। তবে ১০ রমজানের পর থেকে বেচাকেনা বেড়েছে। জিনিসের দাম বেশি হওয়ার কারণে ক্রেতারা প্রচুর দামাদামি করছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমানে কালেকশন আছে। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য