দক্ষিন কেরানীগঞ্জে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বাধা প্রদান করতে আসা পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের ২জনের হাত ভেঙ্গে গেছে বলে জানিয়েছেন পরিবার। অপর চারজনের মধ্যে দুজনের মাথায় আঘাতে মাথা ফেটে গেছে।
গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় দক্ষিন কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের কাউটাইল এলাকার মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জমি দখল কেন্দ্র করে আলমাস ও ফাতেমার জামাই মজিবরের সাথে বহু বছর পূর্ব জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। হঠাৎ মজিবর ও রুস্তুম ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে আলমাসের জায়গা দখল করতে গেলে ,আলমাস বাধা প্রদান করেন। এতে মজিবর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আলমাসের পরিবারের মারধর ,বাড়িঘর ভাংচুর হামলা শুরু করে । একপর্যায়ে সন্ত্রসী বাহিনীরা আলমাসের পরিবারের সবাইকে মেরে একটি ঘরে জিম্মি করে ফেলে। দুঘন্টা তাদের থেমে থেমে মারে শুরু হয় তাদের উপর অত্যাচার।
এলাকাবাসী পুলিশকে খবরদেয়, পুলিশ ঘটনা স্থলে গেলে পুলিশের খবরটের পেয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী পালিয়ে যায়। এ সময় ৬ জন আহত হয়। আহতদের স্যার সলিমুল্ল্যাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড)পাঠানো হয়েছে।
আহতরা হলেন, মো. জাহিদ (২০), নাহিদ (২২), মমতাজ বেগম(৪৩), বকুল (৪৫), নূরজাহান বেগম (৩৫) , জিহাদ মিয়া (৩০)।
দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশের এএসআই জাকির হোসেন ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন তিনি জানান, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনা স্থালে এসে কাউকে প্ওায়া যায়নি। আমাদের আসার খবর পেয়ে তারা পালিয়েছে। জেনেছি মজিবরের জমি বায়না করেছেন রুস্তুমের কাছে, সেই জমি দখল করতে এলে আসলাম বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে এঘটনার সূত্রপাত। ৬ জন আহত করেছে এদের মধে ২ জন মহিলার হাতে ও দুজনের মাথা আঘাত রয়েছে, তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ জমিন/ সংবাদটি শেয়ার করুন




.jpg)

মন্তব্য