ক্রেতা টানতে ছাড় বাণিজ্য মেলায়

  • অনলাইন
  • শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২ ১০:০১:০০
  • কপি লিঙ্ক

দোকান অসম্পূর্ণ থাকাসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় শুরু থেকে কিছুটা জৌলুসহীন ছিল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। তবে সপ্তাহ না পেরোতেই চিরচেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে দেশের সবচেয়ে বড় এই বাণিজ্য মেলা। বাড়ছে দর্শক সমাগম। আর দর্শকদের মেলামুখী করতে ব্যবসায়ীরাও আকর্ষণীয় অফারে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছেন। গত মঙ্গলবার মেলার ১১তম দিন বিপুল দর্শক সমাগম দেখা গেছে।

পূর্বাচলের বাণিজ্য মেলা সফল করতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। এখনো মেলায় কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি। পণ্য মূল্যে ছাড় দিয়ে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কথা হয় ইস্পাহানি মির্জাপুর (ট্রেড মার্কেটিং) এক্সিকিউটিভ মো. মুন রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ইস্পাহানি মির্জাপুরের পণ্য আকর্ষণীয় মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। মির্জাপুর ৪০০ গ্রামের চায়ের প্যাকেটের মূল্য ২১০ টাকা। মেলায় ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। পার্বণ চিনিগুঁড়া চাল এক কেজি ১৩০ টাকা, মেলায় বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা। ৭৫০ গ্রামের আইস ইসপি ড্রিংকস পাউডার ৪১০ টাকা, মেলায় বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা।’

নাবিক্সো বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ফ্যাক্টার লিমিটেডের সিনিয়র শ্রমকল্যাণ কর্মকর্তা মো. জাহান আলী বলেন, ‘দর্শকদের মেলামুখী করতে বিভিন্ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হচ্ছে। বালিং গোল্ডেন বাইট, সুগার ফ্রি পাইনাপেল, বাটার কুকিজ, সুগার ফ্রি বিস্কুট, অলটাইম, এলাচি, ক্লাঞ্চি, নাট কুকিজসহ ১৪টি আইটেম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। এ ছাড়া ঝাল-টক নামে আরেকটি প্যাকেজ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেখানে ১৩টি আইটেমের বিস্কুট রয়েছে।’

এবারের বাণিজ্য মেলায় ১১টি দেশের ২২৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল এবং ১৫টি খাবারের দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলার গেট ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের (মেসার্স মীর ব্রার্দাস) অপারেশন ম্যানেজার মো. সাইদুর রহমান জানান, মেলা উদ্বোধনের দিন থেকে এ পর্যন্ত এক লাখ ১২ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। ১১তম দিনে প্রায় ২২ হাজার টিকিট এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। টিকিট বিক্রি আরো বাড়তে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য