গোবিন্দগঞ্জে মনসা মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান 

  • গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ
  • শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ ১২:১৮:০০
  • কপি লিঙ্ক

গোবিন্দগঞ্জে রাতের আধারে মনসা মন্দিরের তিনটি মূর্তি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের হরিরামপুর গ্রামের স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের শত বছরের ঐতিহাসিক মনসা মন্দিরে দুর্বৃত্তরা রাতের আধারে ৩টি প্রতিমার মাথা ও হাত-পা ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার উদয় সাহা, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু সাঈদ, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার জহিরুল ইসলাম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তনয় কুমার দেব, সাধারণ সম্পাদক পৌর কমিশনার রিমন তালুকদার সহ পুলিশ কর্মকর্তারা। এছাড়াও ঘটনাস্থলে সিআইডির একটি টীম উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। 

স্থানীয় পূজা  উদযাপনপরিষদের সভাপতি প্রভাষক দেবাশীষ পোদ্দার জানান, রাতের আধারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মনসা মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করেছে যা অত্যন্ত দু:খজনক ও নিন্দনীয়। দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। তবে এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। 

হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী সরকার সাজু সাংবাদিকদের জানান, এখানে অতীতকাল থেকে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির সাথে বসবাস করে আসছেন। এখানে অতীতে কখনই এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনার সাথে যে বা যারাই সম্পৃক্ত থাকনা কেন তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। 

সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল উদয় সাহা বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য