ভাসমান বীজতলায় চারা রোপন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের পরিদর্শন

  • মাদারীপুর প্রতিনিধি:
  • শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২০ ১১:৩৪:০০
  • কপি লিঙ্ক

বন্যায় রোপা আমন বীজতলা নষ্ট হওয়া এবং পানিমুক্ত জায়গার অভাবে মাদারীপুরের শিবচরে ভাসমান বীজতলায় চারা রোপন করা হচ্ছে। ভাসমান বীজতলা স্থাপনে কৃষকদের ব্যাপাক আগ্রহ দেখা গেছে।

এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় চর এলাকায় কমিউনিটি বীজতলা তৈরিরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান  শিবচরের কাঠালবাড়ী এলাকায় কৃষকদের ভাসমান বীজতলা পরিদর্শন করেন। 

এ সময় কিভাবে বন্যায় কৃষি জমির ক্ষতি পুষিয়ে ফসলফলাদি রোপন করা যায় সে ব্যাপারে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জোনের অতিরিক্ত পরিচালক মো: রিফাত হোসাইন, উপপরিচালক মাদারীপুর মো. মোয়াজ্জেন হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) বিএম আতাউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপ রায়, কাঠালবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোহসেন উদ্দিন সোহেল বেপারী প্রমুখ।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এবারের বন্যায় কৃষকদের ফসলি জমি পানিতে তলীয়ে গেছে। রোপা আমন বীজতলা স্থাপনের কোন জমিই শুক্ন নেই। তাই শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী কৃষকরা পানিতে নিমজ্জিত জমিতে কলা গাছের তৈরি ভেলার উপর পলিথিন দিয়ে তার উপর মাটি ফেলা হয়। পরে ওই মাটির উপর ভাসমান বীজতলায় চারা রোপন করা হয়েছে। এতে বন্যায় ফসলি জমি তলীয়ে গেলেও রোপা আমন বীজতলার মাধ্যমে ১০ থেকে ১৫ দিন পর ওই চারা রোপন করা সম্ভব হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বাংলাদেশ জমিনকে জানান, বন্যায় দেশের নিচু এলাকাগুলো তলিয়ে ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে ভাসমান বীজতলা স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। পানিমুক্ত জায়গার অভাবে ভাসমান বীজতলা তৈরির সার্বিক খরচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য