ঈদ সবাই যেন উৎসব মুখর ভাবে ছুটছেন আপন জনের সান্নিধ্য পেতে বছরের এ দিনটিতে। কিন্তু এই আনন্দ টুকু একমাত্র সন্তান নিয়ে পেতে কত যে কষ্ট আর বুকের ভেতর হাহাকার নিয়ে অপেক্ষায় থাকছেন মালেকা বেগম,তার কারণ একমাত্র সন্তানটি যে তার কাছে নেই।
ভরণপোষণ দেয়না,নেয়না কোন খোঁজ। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে জীবিকাহ নির্বাহ করছেন মালেকা। অভাব আর চড়া সুদের ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা মালেকার কাছে ঈদ যেন নিছক একটি উৎসব।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বাঁশগেড়া এলাকার মালেকা বেগমের ৩মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়েদের বিয়ে দেয়ার পরে ছেলে মুসলিম উদ্দিন কে বিয়ে দেন তিনি।
বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রীকে নিয়ে শহরে গিয়ে বাসা ভাড়া নেন ছেলে মুসলিম। শহরের একটি ডিস সংযোগের ব্যবসায় ভালো পয়সা রোজগার করলেও মালেকা বেগমের ভাগ্যে জোটে না দু পয়সাও।
মালেকার এমন কষ্টের কথা শুনে তাঁকে সাহায্য করতে ছুটে গেলেন ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জর্জ আদালতের আপিল সহকারি আব্দুল্লাহ আল মামুন।
রোববার মালেকা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তাকে খাদ্য সামগ্রী উপহার দেন তিনি। এ সময় পাশে থাকা ভবঘুরে মালেকার ছোটবোন টপলা ও প্রতিবেশী অসহায় ৫টি পরিবারের মাঝে তিনি উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।
উপহার পেয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে মালেকা জানান,সন্তান হয়তো আমার খোঁজ নেয়নি এতে কষ্ট পেলেও আরেক সন্তাতুল্য ছেলে আমাকে খাবার দিয়ে গেলেন এতে আমি অনেক খুশি।
মামুন বলেন,মায়ের চোখে প্রতিটি সন্তানের স্বপ্ন রচিত হয়। মূলত মায়ের স্বপ্নই সন্তানের হাত ধরে বাস্তবিক রুপ পায়। আর এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসাময় মায়ের পাশে থাকতে পেরে আমি আন্দোলিত। ঈদের পরিপুর্ণ তৃপ্তি নিয়ে বাসায় ফিরলাম।




.jpg)

মন্তব্য