দেশে তরুণদের ১৭ জনের একজন মাদকাসক্ত


পরিসংখ্যান বলছে, দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৬৬ লক্ষ। এর মধ্যে ১৫ বছরের বেশি বয়সের মাদকসেবী আছে, ৬৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। এ হিসাবে দেশের তরুণদের প্রতি ১৭ জনে একজন মাদকাসক্ত।

আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর তথ্য অনুসারে, মাদকসেবীরা প্রতিদিন প্রায় ২৫০ কোটি টাকা, নেশার পেছনে খরচ করে। আর পুলিশ বলছে, আজকের মাদকসেবী, কালকের ব্যবসায়ী। এদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নীতি জিরো টলারেন্স। কিন্তু, বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে ঢুকতে দিয়ে, ভেতরে কড়াকড়িতে সুফল কম।

চাহিদা-যোগানের সাথে তাল মিলিয়ে, নানা অভিনব পন্থায় মাদক ঢুকছে বাংলাদেশে। জাতিসংঘের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মতে, বাংলাদেশে বছরে শুধু ইয়াবা ট্যাবলেটই বিক্রি হচ্ছে ৪০ কোটির মতো। প্রতিটির দাম দুইশ টাকা হিসেবে যার বাজারমূল্য, প্রায় আট হাজার কোটি টাকা৷

আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর তথ্য মতে, ইয়াবা মূলত মিয়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে উখিয়া, তারপর কক্সবাজার হয়ে ঢাকায় ঢোকে। আর ফেন্সিডিল, ভারত থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও আখাউড়া হয়ে ঢোকে ঢাকায়। ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলছেন, মাদকসেবীরাই ধীরে ধীরে ব্যবসায়ী ওয়ে উঠছে। এটা আশঙ্কার।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৬৬ লাখ। এদের মধ্যে ১৫ বছরের বেশি বয়সের মাদকসেবী আছে, ৬৩ শতাংশের বেশি। এ হিসাবে দেশের তরুণদের প্রতি ১৭ জনে একজন মাদকাসক্ত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, স্পর্শকাতর এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে নেয়া হচ্ছে বিশেষ পরিকল্পনা।

তবে, কর্তৃপক্ষের জিরো টলারেন্স আর ব্যপক অভিযানের পরও, মাদক নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। এর কারণ, সীমান্তে কম নজরদারি, বলছেন, বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের পরামর্শ, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে, সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। তাহলে, নিয়ন্ত্রণের পথ ধরে, নির্মূলের কাছাকাছি যাওয়া যাবে।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com