শিরোনাম পড়ে চোখ কপালে ওঠার কথা! তাই তো? স্বগতোক্তি করে হয়তো আপনি বলে উঠছেন ফুটবলে আবার খেলোয়াড়দের র্যাংকিং হয় নাকি। ঠিকই ধরেছেন, ফুটবলে দলীয় হলেও হয় না ব্যক্তিগত র্যাংকিং।
সেটা ক্রিকেট-টেনিসে হয়।তবে বিশ্বকাপে একটা র্যাংকিং চালু করেছে ফিফা। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা যার নাম দিয়েছে ফিফা পাওয়ার র্যাংকিং। আর্সেন ওয়েঙ্গারের চালুকৃত এই র্যাংকিংয়ে আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের ৩ ক্যাটাগরিতে নম্বর দেওয়া হয়।
সেই তিন ক্যাটাগরি হচ্ছে- অ্যাটাকিং, ক্রিয়েটিভিটি এবং ডিফেন্ডিং। অন্যদিকে গোলরক্ষকের ক্ষেত্রে দুই পদ্ধতিতে- বল নিজেদের কাছে থাকা অবস্থায় এবং গোল ডিফেন্ডিং করার ক্ষেত্রে।এই পাওয়ার র্যাংকিংয়ে শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি। গোলের তালিকাতেও যিনি বর্তমানে চূড়ায়।
কোনো অ্যাসিস্ট না করলেও ৩ ম্যাচ শেষে ইতিমধ্যে ৬ গোল করেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। অ্যাটাকিং, ক্রিয়েটিভিটি এবং ডিফেন্ডিং এই তিন ক্যাটাগরিতে তার পয়েন্ট যথাক্রমে ৮.৪৯+৬.৫৫+৫.১৭।মেসি শীর্ষে উঠেছেন অবশ্য দেনিজ উনদাভের অবনতি হওয়ায়। জার্মানির বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত শীর্ষে ছিলেন এক সময় কারখানায় চাকরি করা এই ফরোয়ার্ড। তবে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে কাল পারফরম্যান্সের অবনতি হওয়ায় ২ ধাপ অবনতি হয়েছে উনদাভের।
তাতে শীর্ষে উঠে যান মেসি। ৪ ম্যাচ শেষে জার্মান ফরোয়ার্ডের গোল ৩ ও ২ অ্যাসিস্ট। তার পাওয়ার রেটিং যথাক্রমে-৮.২৬+৭.৩৭+ ৪.৬২।উনদাভের অবনতিতে শুধু মেসির উন্নতি হয়নি, হয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পেরও। ফ্রান্সের অধিনায়কের পাওয়ার র্যাংকিং যথাক্রমে-৭.৮৫+৬.২+৪.৫৩। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৩ ম্যাচ শেষে তার নামের পাশে ৪ গোলের বিপরীতে ২ অ্যাসিস্ট।
অন্যদিকে ব্রাজিলের জয়ের ম্যাচে দুর্দান্ত খেলার পরেও র্যাংকিংয়ে অবনতি হয়েছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের। তার ২ ধাপ পেছানোয় এক ধাপ করে উন্নতি হয়েছে জোহান মানজাম্বি ও উসমান দেম্বেলের। ৬ নম্বরে থাকা ভিনির পাওয়ার রেটিং যথাক্রমে- ৭.৬২+৬.৫+৪.৭৯। পাঁচে থাকা ফ্রান্সের দেম্বেলের ৭.৬২+৬.৭৭+৪.৭৮ বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড মানজাম্বির রেটিং পয়েন্ট যথাক্রমে- ৭.৬৬+৬.৭+৪.৮৫।
বিপরীতে ২ গোল করা রোনালদো আছেন ৭৪ নম্বরে। পর্তুগালের অধিনায়কের পাওয়ার রেটিং যথাক্রমে- ৫.৮২+৫.০৬+৪.৭৭। অন্যদিকে এক ম্যাচে ২০ মিনিটের মতো খেলা ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার ফিফার ১০০ জনের এই তালিকাতেই নেই।