স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন


মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশাও বেড়েছে।

এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই শতাংশের বেশি কমেছে। আগের দিন দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর পরই এই দরপতন দেখা যায়।

গত বুধবার ৭ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠার পর স্পট স্বর্ণের দাম ২.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪১ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে। একই সময় আগস্ট সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ২.৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৩ দশমিক ৫০ ডলারে।এদিকে মার্কিন ডলারের মূল্য ০.৩ শতাংশ বেড়েছে। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি নোটের ইল্ড ১ শতাংশের বেশি বেড়ে এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম উইকফ বলেন, অপরিশোধিত তেলের উচ্চ দাম মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে ধারণা তৈরি হয়েছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সহজে সুদের হার কমাতে পারবে না। এর ফলে বন্ডের ইল্ড বেড়েছে, যা স্বর্ণ ও রুপার মতো মূল্যবান ধাতুর জন্য নেতিবাচক। কারণ এসব ধাতু থেকে কোনো ইল্ড পাওয়া যায় না।অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন হয়েছে। স্পট রুপার দাম ৪.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ দশমিক ১৫ ডলারে নেমেছে। প্ল্যাটিনামের দাম ৩.১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৯৩ দশমিক ১৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৫৫ ডলারে নেমেছে।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com