সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা ভিডিওতে দেখুন 


সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দুই জেলার প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে খাবার ও সুপেয় পানির জন্য তীব্র হাহাকার ও আর্তনাদ চলছে। পানি-স্রোত ভেঙে আশ্রয়ের খোঁজ করছে মানুষ।প্রত্যন্ত অঞ্চলে আটকেপড়া মানুষকে উদ্ধার তৎপরতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা।

এদিকে, শনিবার দিনব্যাপী সিলেট বিভাগের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় রেকর্ড পরিমাণ ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এতে সিলেট শহর, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। এ ছাড়া দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।

শনিবারের বৃষ্টিতে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পানি ঢুকেছে। বন্ধ হয়ে গেছে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিদ্যুৎসংযোগ না থাকায় হাসপাতালের অস্ত্রোপচার বিভাগ ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) চিকিৎসাব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছে।

বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। আগামী দুই-তিন দিনে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আগামী দুই তিনদিনের মধ্যে কোন সুখবর নেই বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। শনিবার সকালে রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবনে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান জানান, সুনামগঞ্জের ৯০ শতাংশেরও বেশী এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আর সিলেটের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা ডুবে আছে পানিতে।

তিনি বলেন, নতুন করে উত্তারাঞ্চলের গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগম্গ, জামালপুরের কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। তবে এসব এলাকায় সিলেটের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বিগত কয়েক দশকের মধ্যে এমন বন্যা পরিস্থিতির হয়নি। সিলেট বিভাগের ৯টি নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা ভিডিওতে দেখুন https://fb.watch/dJTODEWuYf/

Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com