ইরাকের রাজধানী বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন সে দেশের সংসদ সদস্য আহমাদ আল-কানানি। আহমাদ বলেছেন, বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র কূটনৈতিক মিশন, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করে রাখা হয়েছে।
গতকাল শনিবার ইরাকের পার্লামেন্ট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আরো বলেন, বিশ্বের কোনো দূতাবাস নিজের নিরাপত্তার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, জঙ্গিবিমান বা ট্যাংক মোতায়েন করে না।
আস-সাদিকুন দলের এই রাজনৈতিক নেতা আরো বলেন, বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস যা করেছে তা ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে দ্বান্দ্বিক।
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের আয়তন ৪২ হেক্টর। ভ্যাটিক্যান সিটির আয়তনের চেয়ে বড় এটি। মার্কিন সেনারা ওই দূতাবাসের নিরাপত্তা রক্ষায় প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা চলতি বছরের ২২ জুলাই চালিয়েছে।
আহমাদ বলেন, ইরাকের পার্লামেন্ট এসব মার্কিন সেনার বিচার করার জন্য আইন পাস করেছে; কাজেই তাদেরকে প্রত্যাহার করে নেওয়া যথেষ্ট নয়।
ইরাকের আরেক সংসদ সদস্য ফাজেল জাবের বলেছেন, ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। যুক্তরাষ্ট্রের যদি সত্যিই ইরাক থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে তাকে বাগদাদ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে একটি সময়সীমা ঘোষণা করতে হবে।
সূত্র : পার্স টুডে