নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ভাড়াটিয়ার সঙ্গে পরকীয়া এবং ওই নারীকে বিয়ে করতে না দেওয়ায় স্ত্রী নাজমা আক্তারকে (৪৫) বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে স্বামীসহ পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের দুপ্তারা মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমা আক্তার ওই গ্রামের মো. ছিদ্দিক মিয়ার মেয়ে। তার স্বামী অভিযুক্ত আমির হোসেন পশ্চিমপাড়া এলাকার মোতালিবের ছেলে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী বলে জানা গেছে।
নিহতের ভাই রোহেন নবি জানান, আমিরের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয় ২৫/২৬ বছর আগে। তাদের সংসারে ৩টি সন্তান রয়েছে। আমির মালয়েশিয়া থেকে ৩/৪ মাস আগে দেশে এসে তারই বাড়ির এক নারী ভাড়াটিয়ার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনা জানাজানি হলে আমার বোন তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে কলহ হতো।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এরই জেরে মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় আমির ওই ভাড়াটিয়া নারীকে বিয়ে করবেন বলে আমার বোনকে জানায়। তখন আমার বোন তাতে রাজী না হলে, তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই সময় আমির আমার বোনকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরে ফেলে রেখে তার পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে যান। আমরা লোক মারফত সংবাদ পেয়ে আমার বোনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আমরা পুলিশকে জানাই।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।