৬ দিনেও খোঁজ মেলেনি স্কুলছাত্রী মীমের 


গত ৬ দিনেও খোজঁ মেলেনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গুনাবহ ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকার কলেজ শিক্ষিকা মোসা. মাহামুদা খাতুন ও আবুল হাসান এর নাবালিকা শিশু কন্যা মীমের।

এর আগে গত ৬ জুলাই মালিহা হাসান মীমকে(১৪) ভোর রাতে তার বাড়ি থেকে অপহরন করে নিয়ে যাওয়া হয় মাদকাসক্ত বখাটে ও তার সহযোগিরা।

বোয়ালমারী উপজেলার ফেলান নগর এলাকার সাগর শেখ(২২) নামে মাদকাসক্ত ওই বখাটে মটরসাইকেলে করে তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুজেঁ পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার পিতা মাতা অভিযোগ করেছেন। অপহৃত মীম বোয়ালমারী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনির ছাত্রী। তার বাড়ি উপজেলার গুনাবহ ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায়।

এ বিষয়ে মীমের মাতা কলেজ শিক্ষিকা মোসা. মাহামুদা খাতুন বলেন, আমি আর আমার স্বামী ছয় দিন ধরে খুজেঁ ফিরছি আমার একমাত্র মেয়েকে। এর আগেও সাগর দুই বার আমার মেয়েকে অপহরন করে নিয়ে যায় জোর করে। পরে গুনাবহ ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ও এলাকাবাসীর সহায়তায় একবার তাকে উদ্ধার করে আনা হয়।

এরপর আবার তাকে অপহরন করলে পুলিশ আমাদের মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এরপর থেকে আসামী সাগর ও তার সহযোগি সহ পরিবারের লোকজন সুযোগ বুঝে গত ৬ জুলাই ভোর রাতে আবার আমার মেয়েকে অপহরন করে। কোন খোজঁ পাচ্ছি না বলেও তিনি জানান।

মীমের পিতা আবুল হাসান বলেন, আমরা এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এছাড়া ফরিদপুর র্যাব ক্যাম্পে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন খোজঁ থানা পুলিশ বা র্যাব দিতে পারেনি আমাদের। আমাদের একমাত্র সন্তান মীমকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি আমরা।

গুনাবহ ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, এর আগেও সাগর দুই বার এই মেয়েকে অপহরন করে। আমি অনেক চেষ্টা করে একবার মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। এছাড়া আরেকবার পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

তিনি বলেন আবার গত ৬জুলাই ভোর রাতে অপহরনের ঘটনা ঘটেছে। ছেলের পক্ষ আমাকে বলছে মেয়ে পক্ষ মেয়েকে পালিয়ে রেখে তাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমি একজন চেয়ারম্যান হিসেবে মনে করি এটা মেয়ে পক্ষ করতে পারেনা। তবে মীম একজন নবালিকা তাকে উদ্ধার করা প্রয়োজন অতি দ্রুত। সাগর একজন বখাটে বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশ জমিন/ সংবাদটি শেয়ার করুন


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com