অসহায় মানুষদের পাশে পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস এণ্ড ওয়েলফেয়ার ক্লাব


১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস এণ্ড ওয়েলফেয়ার ক্লাবটির মাধ্যমে বিভিন্ন সময় এলাকার দ্ররিদ্র খেলোয়ারদের সহযোগীতা করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অংশ গ্রহণ করে আসছে। আজও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়। এই ক্লাবটি এগিয়ে এসেছে সমাজের অসহায় মানুষের প্রতি।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় করোনার সংক্রমন দেখা দেওয়ায় ফরিদপুর জেলাকে করোনা পিরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে গত ২৬ মার্চ থেকে ফরিদপুরের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন বন্ধ ঘোষণা করে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। জেলার ঔষধ ও খাবার দোকান ব্যতিত সবকিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসহায় হয়ে পরেছে সমাজের নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা। আর কর্মহীন এই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস এণ্ড ওয়েলফেয়ার ক্লাবের একদল তরুণ সদস্য।

পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস এণ্ড ওয়েলফেয়ার ক্লাবের তরুণ সদস্যরা দেশের দুর্যোগপূর্ণ সময়ে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থাকার জন্য একটি ত্রাণ তহবিল গঠন করে। ক্লাবের সকল সদস্য ও এলাকার মানুষের সার্বিক সহযোগিতায় এবং পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস এণ্ড ওয়েলফেয়ার ক্লাবের সদস্য কামরুল হাসান ডেভিড, মো. মোজাম্মেল মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, ইমতিয়াজ দ্বীপ, আলামিন লিপু, আশিকুর রহমান খান, আকন্দ কাউসার, মল্লিক প্রিন্স, খাঁ কাউসার, প্রিন্স, তানিম, ঝিল্লুর তত্ত্বাবধানে সমাজের অসহায় গৃহবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করা হয়।

৭ এপ্রিল ১ম ধাপে সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় গৃহবন্দি হয়ে থাকা সমাজের নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ৩ শত মানুষের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ,আলু, আটা,সাবান বিতরণ করা হয়।

পরে ৯ এপ্রিল ২য় ধাপে আরও মধ্যবিত্ত পরিবারের কথা চিন্তা করে গোপনীয়তা রক্ষা করে সমাজের মধ্যবিত্ত ২শত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস এণ্ড ওয়েলফেয়ার ক্লাবের সদস্য ও ত্রান সহায়তার উদ্যোক্তা কামরুল হাসান ডেভিড বলেন, দেশ এখন এক দুর্যোগপূর্ণ সময়ের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে। আর এই দুর্যোগে মানুষ হয়ে মানুষের পাশে থাকার জন্য আমরা পূর্বখাবাসপুর স্পোর্টস ক্লাবের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করেছি। আমারা সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে গোপনীয়তা রক্ষা করে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে আসছি। কেননা বর্তমানে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো পরিস্থিতির শিকার। যার ফলে আমরা খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় কোন ফটোসেশন করছি না।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com