www.bzamin24.com:: সত্যের সন্ধানে সারাক্ষণ

শিরোনাম:

ফরিদপুরে ৫০ টি গ্রাম প্লাবিত, ৫৮টি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন


  নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  |  ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৯:৪০  | বাংলাদেশ


গত ৩৬ ঘন্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর ও ভাঙ্গা উপজেলার (কিছু অংশ) পদ্মা পাড়ের নিম্নাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবার। শহরতলীর সাদীপুর এলাকার কাদেরের বাজার পয়েন্টে বাধ অতিক্রম করে নতুন কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে।

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তীর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টি বসতবাড়ি গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায় , বুধবার বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বৃহস্পতিবার আরও ৩৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবল কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অফিস থেকে জানান, এরমধ্যে সদর উপজেলায় ১৫ টন, চরভদ্রাসন উপজেলায় ১০ টন, সদরপুর উপজেলায় ১৫ টন ও ভাঙ্গা উপজেলায় ২ টন মোট ৪২ টন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন তাদের ত্রাণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। চাহিদা অনুযায়ী দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হবে। ফরিদপুর সদরসহ ৪টি উপজেলার আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া দিয়েছেন। পাশাপাশি উঁচুস্থানে থাকা স্কুল-মাদরাসা খোলা রাখতে বলা হয়েছে। চার উপজেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ৯২টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।




 আরও খবর