যুদ্ধক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার নিয়ে কিছু ভাবছে বিশ্ব?


যুদ্ধক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার কেমন মরণঘাতী হতে পারে তা বিশ্ববাসী কল্পনা করতে পারেনি এখনো। কিন্তু এ বিষয়ে পরাশক্তিগুলো কি পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। এর মারাত্মক ব্যবহার বিশ্বকে একটি নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে মনে করা হয়।মানুষের বিচার ও বিবেকের বিপরীতে কৃত্রিম বুদ্ধির যোদ্ধা চরম রূঢ়ভাবে মানুষকে আঘাত করবে।

জাতিসংঘ ২০১৫ সাল থেকেই এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় মরণাস্ত্র বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার টেবিলে উপস্থাপন করেছে। সংস্থাটি একটি কাঠামোর মধ্যে আনতে চাচ্ছে গোটা বিষয়টিকে। কিন্তু পরাশক্তিগুলোর মধ্যে যারা এ ধরনের যোদ্ধা রোবটের প্রযুক্তিতে বেশ অগ্রগামী তাদের ভূমিকা বেশ জটিল। রাশিয়া, ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- এ তিনটি দেশ রোবট যোদ্ধার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ হোক, এমনটা মানতে চান না। কিন্তু বিশ্বব্যাপী বেশ কিছু এনজিও এই প্রযুক্তির বিরুদ্ধে জোর প্রচার চালিয়ে আসছে।

এর মধ্যে বিশ্বের ৩০টি দেশ এখন পর্যন্ত এ ধরনের রোবট যুদ্ধে কাজে লাগানোর বিপক্ষে রয়েছেন। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও বেশ ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়ে অস্ট্রিয়ার সরকার দায়িত্ব নিয়ে একটি কার্যকর ও ইতিবাচক অগ্রগতির পথে এগুনোর চিন্তা করছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার স্কলেনবার্গ বলেন, আগামী ২০২১ সালে আমরা একটি কনভেনশন আয়োজনের চিন্তা করছি যাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের বিষয়ে একটি বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার মধ্যে পরিচালিত করা যায়। সূত্র: ডয়েচেভেল।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com