চাউল হামেরা চাহিনা বারে, চাউল চোরের বিচার চাই


দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ২নং ইশানিয়া ইউনিয়নের জামিরা গ্রামের মায়া রানী, স্বামী-বীরেন চন্দ্র নামে একটি ভিজিডি কার্ড রয়েছে কার্ড নং ৪০। গত ১৮ মাস ধরে ওই কার্ডের বিপরীতে চাল উত্তোলন করা হলেও মায়া রানী সেই চাল পাননি বলে লিখিত অভিযোগ পত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে অবহিত করেন । তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে মায়া রানী ইউএন ও বরাবওে আবেদন করলে মাননীয় ইউএনও সাহেব তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলেন মেম্বার ও চেয়ারম্যান কে। কিন্তু ২১ জুন মাননীয় ইউএনও মহোদয় মেম্বার সাহেবকে ১০ হাজার ৮ আট মত টাকা জমা দিতে বলেন, মায়া রানীকে ৬ মাসের জন্য একটি ভিজিডি কার্ড দেন যা বৈখাখি নামে অন্য ওর্য়াডে ১৮ মাসের চাল উত্তোলন হয়েছে। তবে মায়া রানীর কার্ডটি কথায় তা জানা যায়নি।

জানা গেছে, মেম্বার চেয়ারম্যান জবাব দিতে পারবেনা জেনে ইউএনও জবাব না নিয়ে এই রায় দেন। হতাশ হতবাক মায়া রানী সেদিন বাড়ী চলে আসে। কিন্তু ইউএনও অফিসের লোক মায়া রানী কে সাদা কাগজে অভিযোগ প্রত্যাহার করে ২০টাকা কেজি দরে ১৮ মাসের ৫৪০ কেজি চালের মুল্য বাবদ মেম্বার চেয়ারম্যানের কাছে আদায় করা টাকা নিয়ে যাবার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু মায়ারানী অসহায় দুঃস্থ হওয়ায় ন্যায্য বিচার পাননি বলে জানান। তাই ঐ চাল নিতে তিনি নারাজ। গণমাধ্যমের কাছে আক্ষেপ করে মায়া রানী বলেন, হামারা নিরাপত্তা নিয়ে বেজায় চিন্তায় আছি। চাউল হামেরা চাহিনা বারে, চাউল চোরের বিচার চাই। বিচার একদিন ভগবানে করিবে।

বাংলাদেশ জমিন/ সংবাদটি শেয়ার করুন


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com